সংবাদ শিরোনাম:
সংবাদের সাথে ছবি আছে ক্ষতিগ্রস্থ চৌহাটি ও কাজীপাড়া কমিটির সমন্বয়ে মত বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে নিয়োগে স্থগিত রেখে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ প্রদান না করায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মচারীদের বিরামপুরে ফুটবলের মহারণ, ২৬ দলের লড়াইয়ে শুরু খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ” খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ মোতাহার হোসেনের গণসংযোগ কুলিক নদীর তীরে নবজাতকের মরদেহ, কুকুরের মুখ থেকে উদ্ধার পীরগঞ্জে এমপিও জালিয়াতির অভিযোগ সহকারী শিক্ষকই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিরামপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত,প্রবীণদের সম্মানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ‎বিরামপুরে “Smart Union” বাস্তবায়নে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‎ এনজিওর কিস্তি আর দিনমজুর বাবার সংগ্রাম পেরিয়ে জজ হলেন গোমস্তাপুরের কাজল পাঁড়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ
দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার, প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার, প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা ব্যবসায়ীদের। দেশের পাটের প্রচুর চাহিদা থাকলেও আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে এবং পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহ এবং দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা এ এলাকায় ঝুঁকে পড়ছে পাট চাষে। খানসামা উপজেলার পাকের হাট ও বিরামপুর উপজেলায় শুরু হয় পাটের বেচাকেনা। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসা এ হাটে কৃষকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা। ভোর হওয়ার সাথে সাথে গ্রাম গঞ্জ থেকে কৃষকেরা পাট বিক্রি করতে আসে এই হাটগুলিতে । বিরামপুর ও খানসামা ছাড়াও দিনাজপুরের অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন হাটে পাট বিক্রির ধুম পড়ে যায়। ধানের পরে পাটের মূল্য । ডিজিটাল পাল্লায় ওজন ও পাটের মান যাচাই ও দরদামে জমে ওঠে পাটের হাট। চলতি মৌসুমে খানসামা সহ ১৩ টি উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিল প্রায় ১০ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে। খানসামা উপজেলায় এবার ১ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ লক্ষ্য মাত্রা ছিল কিন্তু ১ হাজার ৬ শত ৯০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ মৌসুমে পাট উৎপাদন হয়েছে ১৯ হাজার ২ শত ৩৭ বেল। এছাড়া অন্যান্য উপজেলায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। এই পাট থেকে খানসামা উপজেলাতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বানিজ্যের সম্ভবনা রয়েছে ব্যবসায়ীদের। উন্নত মানের উজ্জ্বল ও শক্ত আঁশের পাটে মিলছে বেশি দাম। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও লাভের আশা করছেন কৃষকেরা । বীরগঞ্জ উপজেলার শীতলাই গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান জানান, চলতি বছর পাটের দাম ভালো পেয়েছি, পাট চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় আগামীতে পাট চাষে এ এলাকার কৃষকেরা ঝুঁকে পড়বে। খানসামা উপজেলার হাটে পাটের মান ভালো এ কারণে এখানে ব্যবসায়ীরা পাট কিনতে আসে। পাট ব্যবসায়ী মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান, পাটের গুণগত মান ভালো হলে বাজারে পাটের প্রচুর দামও রয়েছে। তবে দেশে পাটের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দেশের পাটের উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদা বেশি হচ্ছে ও প্রচুর দামও দিতে হচ্ছে। পাট না পাওয়ার কারণে অনেক জুট মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
খানসামা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ ইয়াসমিন আক্তার জানান, পাট এলাকার কৃষক ও গ্রামীন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফসল। চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের চাষ করেছে কৃষকেরা , আবাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ফলন ও ভালো হয়েছে। সঠিক সময়ে পাট কাটা, যথাযথভাবে জাগ দেওয়া, ভালোভাবে পাট শুকানো মাধ্যমে মান সম্মত পাট উৎপাদন করতে হবে। এ জন্য খানসামা উপজেলায় পাটের চাষাবাদ আরও বাড়তে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com